BDLUC-এ তালিকাভুক্ত হতে কোনো টাকা লাগে না। একটি বিনামূল্যের অ্যাকাউন্ট খুলুন, ছোট একটা ফর্ম পূরণ করুন। সেই মুহূর্ত থেকে প্লটটি আপনার: এক দিনের মধ্যে আপনার নামসহ সাইট বিলবোর্ড ওঠে, আর পরের এক বছরে আপনার ভবন ধীরে ধীরে ওঠে, যেমনটা সত্যিকারের ভবন ওঠে। দোকান তৈরি হয় প্রায় দুই সপ্তাহে।
সবকিছু ইংরেজিতে, বাংলায়, বা দুই ভাষাতেই লিখতে পারেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম (বাংলা নাম থাকলে সেটাও), আপনার খাত ও ব্যবসার ধরন, কোন বছরে শুরু করেছেন, টিমের আকার, এলাকা ও শহর, আর আপনি কী করেন তার ছোট একটা বিবরণ। যোগাযোগের জন্য ইমেইল আর ফোন নম্বর দিন, নম্বরটি হোয়াটসঅ্যাপে থাকলে সেটাও জানান।
বাধ্যতামূলক নয়, তবে দিলে ভালো: লোগো, কয়েকটি ছবি, আর আপনার ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ বা লিংকডইনের লিংক।
আপনার ব্যবসা যদি ফেসবুক পেজেই চলে, তাহলে আপনার জায়গা বাজারে, আমাদের এফ-কমার্স এলাকায়। নিজের সড়ক বেছে নিন: পোশাক, হস্তশিল্প, প্রসাধনী, গৃহসজ্জা, খাবার ও মুদি, বা গ্যাজেট।
টিমের সঙ্গে আপনার দোকানও বড় হয়: ডুপ্লেক্স দোকান, প্রিমিয়াম স্টোর, ফ্ল্যাগশিপ বা মেগাস্টোর, প্রতিটির সামনে আপনার সাইনবোর্ড। লোগো আর দোকানের ব্যানার আপলোড করলে শহরে আপনার দোকানে সেগুলো দেখা যাবে।
তালিকাভুক্ত হলে ক্রেতারা আরেকটা জায়গায় দেখতে পাবেন আপনার দোকানটা সত্যিকারের: আপনার পেজ, আপনার গল্প, আর কতদিন ধরে বিক্রি করছেন।
কিছু প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্য তথ্য থেকে যুক্ত করা হয়েছে, সেগুলো দাবিহীন হিসেবে চিহ্নিত। এর মধ্যে কোনোটি আপনার হলে, তার পাতা খুলে দাবি করুন বেছে নিন। আপনার নাম ও পদবি, অফিসের ইমেইল ও ফোন নম্বর দিন, আর এমন একটি কাগজ আপলোড করুন যা দেখায় আপনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি।
প্রতিটি দাবি একজন মানুষ যাচাই করেন। অনুমোদন হলে তালিকাটি আপনিই পরিচালনা করবেন, আর আপনার প্রমাণের কাগজ মুছে ফেলা হবে।
নতুন লোক নিয়েছেন? টিমের আকার হালনাগাদ করুন, দেখবেন ভবন বড় হচ্ছে। নতুন ছবি, নতুন ওয়েবসাইট, নতুন অফিসে চলে যাওয়া, যখন খুশি নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে বদলে নিন।
শহর গড়তে সাহায্য করার জন্য নিজের ব্যবসা থাকা লাগে না। আমাদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম প্রস্তাব করুন, যাচাইয়ের পর সেটি নিজস্ব প্লট পাবে। মালিক পরে সেটি দাবি করতে পারবেন।
হ্যাঁ। তালিকাভুক্তি আর দাবি দুটোই বিনামূল্যে। স্পনসরড প্লট, ছাদের বিলবোর্ড আর গাড়িবহর শিগগিরই আসছে ঐচ্ছিক সুবিধা হিসেবে, তালিকাভুক্ত হতে এগুলো কখনো লাগবে না।
হ্যাঁ। একক মালিকানা, অংশীদারি ব্যবসা, ফেসবুক পেজের দোকান, সবাই স্বাগত, শুধু ব্যবসাটা সত্যিকারের ও বাংলাদেশভিত্তিক হতে হবে।
তালিকায় যে যোগাযোগের তথ্য দেবেন, ক্রেতারা যেন আপনাকে পান সেজন্য তা আপনার প্রতিষ্ঠানের পাতায় দেখানো হয়। ব্যক্তিগত নম্বর গোপন রাখতে চাইলে ব্যবসার নম্বর ব্যবহার করুন।
প্রতিটি দাবি হাতে যাচাই করা হয়, তাই কিছুটা সময় লাগতে পারে। সিদ্ধান্ত হলেই আপনার অ্যাকাউন্টের ইমেইলে জানিয়ে দেওয়া হবে।